সোমবার, ৩০ মে, ২০১১

Planet Cool !!! The Start of the Big Adventure of shawon saha

There is more to come in
the series.
Planet cool was on the
break of war, planet meep
was demanding most of
our crops or there would
be war. So everybody
was training, setting up
trenches, and base. I was
command leader for
group 3 which is really
good, so I trained the
hardest. The battle ground
would obviously be on
our planet, and our army
was 5,000, they had 100
more troops, but we have
the home advantage.
Our troop had 100 men in
it and we were in charge
of duels and grenades, I
have to lead some of their
army into the cliffs so that
the rest of my troops can
bombard them with
grenades, then attack with
our laser guns which they
had to. The night before
battle we all slept at our
posts and each group had
a lookout, we will be
ready for them when they
come.
The sun raised and the
squidler squealed, we
woke with ambitions and
confidence, planet cool
was going to win. We
saw their massive ship
approach, I was kind of
nervous; I had a big
responsibility to keep as
many of my team alive as
possible, and to play the
main part of getting the
enemy there. Out of the
gigantic ship men
marched out in rows,
they was wearing thick
leather armour and
carrying their laser guns. I
went in I shouted to one
of their groups, they fell
for it, about 100 of them
were chasing me right
into our trap, as I was
running lasers were flying
past me, they were so
close to hitting me when I
dived into the safe part of
the canyon wile my team
attacked with grenades.
We were soon out of
grenades and they were
down to 50 in numbers,
so we all charged into
battle. We defeated them,
we was down to 80 in
numbers so we took a
minute to say goodbye to
the dead, then we went to
unite with another group.
We jogged over to group
50 who was losing and
fought, we all then jogged
on to the next one, then
the next.
After that long and hard
day we came out
victorious, everything
went back to normal but I
did not like that. I liked the
excitement of battle, the
thrill of death so close, so
I joined the cool troopers
and we set of to go on
trading missions and
battles for planet cool all
over the galaxy.
The End.

If u lyk this adventure plz lyk my my book in fb page

http://www.facebook.com/profile.php?id=175312729192561&refid=17

শনিবার, ২৮ মে, ২০১১

আইফোনের জন্য টেক্সট-টু-স্পিচ কনভার্টার বানাচ্ছে অ্যাপল

আপনি এসএমএস
বা ইমেইল করার
সময় মোবাইল
থেকে প্রায়ই
হয়তো টাইপ
করতে বিরক্তি বোধ
করেন।
কখনো কি এমনটা আশা করেছেন
যে, আপনি কেবল
আপনার
মোবাইলকে বলে দিবেন,
আর মোবাইল
নিজে নিজে আপনার
কথাকে লেখায়
রূপান্তর করে নিবে?
শুনতে
অনেকটা হ্যারি পটারের
কাহিনীর
মতো মনে হলেও এই
জিনিস বর্তমান
যুগে খুব একটা দুর্লভ
নয়। বিশেষ
করে গুগলে সার্চ
করতে গেলে তো কথা বলেই
সার্চ করা যায়
আরো অনেক
আগে থেকেই। কিন্তু
কথাকে লেখায়
রূপান্তর করার
তেমন
ভালো কোনো অ্যাপ্লিকেশন
বোধহয় এখনো নেই।
আপনি যদি আইফোন
ব্যবহারকারী হন,
তাহলে আপনার জন্য
সুখবর। অ্যাপল
টেক্সট-টু-স্পিচ
কনভার্টার বানানোর
প্রযুক্তির জন্য
পেটেন্ট
অ্যাপ্লিকেশন
করেছে। এর মধ্য
দিয়ে আইফোনের
জন্য টেক্সট-টু-
স্পিচ বানানোর
অনুমতি কেবল
অ্যাপলেরই থাকবে।
জানা গেছে, যেই
সিস্টেমটি তৈরি করার
আবেদন
করেছে অ্যাপল, এর
আওতায়
আপনি প্রচুর শব্দের
মাঝেও
কথা বলে ঠিক ঠিক
তা লেখায় রূপান্তর
করতে পারবেন।
এমনকি ঠিক
উল্টোটিও হতে পারে।
অর্থাৎ
যেখানে আপনি জোরে কথা বলতে পারবেন
না, যেমন
কোনো মিটিং-এ
থাকাকালীন,
সেখানেও
আপনি আস্তে আস্তে কথা বললেও
আপনার
কথা বুঝতে পারবে এই
অ্যাপ্লিকেশন।
আরো মজার ব্যাপার
হচ্ছে, আপনার
লেখাও কথায়
কনভার্ট
করতে পারবে এই
প্রযুক্তি।
ফলে মিটিং-এ
বসে আপনি টাইপ
করে লিখে কোথাও
পাঠালেও তা ভয়েস
আকারে যাবে।
অবশ্য
সেক্ষেত্রে আপনার
ভয়েস অনুকরণ
করতে পারবে না হয়তো।
উল্লেখ্য, অ্যাপলের
অভ্যাসই
হচ্ছে নতুন
কোনো প্রযুক্তি বাজারে আনার
আগেই তারা এর
পুরো পেটেন্ট
করে রেখে দেয়। নতুন
এই প্রযুক্তির
পেটেন্ট এর জন্যও
এবার আবেদন
করেছে অ্যাপল।
পেটেন্ট পেয়ে গেলেই
হয়তো আইফোনের
জন্য এই সিস্টেম
তৈরি করা শুরু হবে।
তবে এখনই এর
বেশি তথ্য
জানা যায়নি বলেই
জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

স্বাদ নেওয়া যাবে নিতম্ব দিয়েই

সম্প্রতি ইউরোপে নিতম্বের
মাধ্যমে স্বাদ নেওয়ার
যন্ত্রের অনুমোদন
দেয়া হয়েছে।
গে লেসবিয়ান বিবাহ বৈধ
করার পর এই ধরনের খবর
ইউরোপে খুবই
মামুলি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই যন্ত্রের
মাধ্যমে কোনো খাবারের
স্বাদ মানুষের নিতম্বের
মাধ্যমে সরাসরি আলজিহবা
এবং পাকস্থলিতে পৌঁছে
যায়। খবর
বিবিসি অনলাইন- এর।
সংবাদমাধ্যমটি
জানিয়েছে, যেসব
রোগী মুখ
দিয়ে খেতে মজা পায়
না তাদের জন্য খাবার
নিতম্বে পৌঁছে দেবার এই
ডিভাইসটি উদ্ভাবন
করেছে রয়াল ন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট ফর গে পিপল
(আরএনআইজি)। বাটুকবাইট
নামের এই
ডিভাইসটি নিতম্বের
ওপরের বাম
পাশে বা বসিয়ে নিতে হয়।
আরএনআইডি-এর
গবেষকরা সতর্ক
করে দিয়েছেন, এই
যন্ত্রটি সব রোগীদের জন্য
সমান কার্যকর নাও
হতে পারে।
বিডিশাওনটোয়েন্টিফোরড
টকম/ এমএইচ/এইচবি/
এইচআর/মার্চ ১৭/১১

আঙ্গুলের ছাপের গুপ্ত রহস্য

আশা করি ভাল
লাগবে সবার।
কুরআন এ আছে :
মানুষ
কি ভেবেছে আমি তার
অস্থিসমুহ একত্র
করতে পারব না?
অবশ্যই
আমি সক্ষম
এমনকি তার
আঙ্গুলের আগাকেও
পূণরায় সৃষ্টি করতে।
আজ থেকে চৌদ্দশত
বছর আগের
লোকেরা ফিঙ্গার
প্রিন্ট সম্পর্কে খুব
কম এ জানত।
তবে কেন আল্লাহ
কোরআন এ
ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর
তুলনা দিয়েছেন?
আসুন একটু দেখি।
১৮৭৫সালে জেন
জিন্সেন নামক এক
ইংলিশ
বিজ্ঞানি আবিস্কার
করেন যে আঙ্গুলের
ছাপ একটি অসাধারন
বিষয়। এর রেখার
ধরন
একটি আরেকটির
চেয়ে ভিন্ন
এবং সম্পূর্ণ আলাদা।
এবং আপনি যা কিছু
ছোঁবেন তাতেই
আপনার আঙ্গুলের
ছাপ বসে যাবে,
এটা সবার ই
জানা কথা তবে ১৪০০বছর
আগের লোকেরা এ
ব্যাপারে খুব কম এ
জানতেন।
এই আঙ্গুলের আগার
রেখার গঠন এবং গড়ন
মাতৃগর্ভের প্রথম
তিন মাসে হয়। এর
অনেক
ব্যাখ্যা রয়েছে,
একটি হল মানুষের
সকলচারিত্রিক
বৈশিষ্ট্য এই
আঙ্গুলের
ছাপে এনকোডেড
রয়েছে।
সুতরাং আমাদের
পুনরুত্থান এর সময়
আল্লাহ আমাদের
শরীর
পুরাপুরি ফিরিয়ে দিবেন
এবং আমাদের বিচার
করবেন, আর শুধু
আঙ্গুলির মাথার ছাপ
দিয়েই আমাদের
সকল চারিত্রিক
বৈশিষ্ট্য
জানা সম্ভব।
আঙ্গুলের
আগা কে এক কথায়
ডাটা ব্যাংক
বলা জেতে পারে।
নিশ্চয় ডিএনএ
একটি অতি মূল্যবান
আবিষ্কার।
ডিএনএ আবিকার
হবার পর এই
ধারনা বদলে গেছে যে কোষ
তার অবস্থিত
এলিমেন্ট
নিয়ে একটি সাধারন
সৃষ্টি নয়। আরও
গভির গবেষণায় এর
জটিলতা প্রকাশ
পেয়েছে। মানুষের
একটি ডিএনএ
কোটি কোটি কোড
সম্বলিত হয়,
আমাদের চুলের রঙ
থেকে শুরু করে নখ
পর্যন্ত সকল তথ্য
এই কোড এ থাকে.
আঙ্গুলের আগার
একটি ডিএনএ এর
কোড ছাপালে লক্ষ
পৃষ্ঠার হাজার
কপি বই হবে। আর
আঙ্গুলের আগার
একটি ডিএনএ
দিয়ে যে কারো সকল
তথ্য জানা সম্ভব।
এ কথা তাহলে খুবই
স্পষ্ট যে আল্লাহর
কাছে আমাদের
পুনরুত্থান কোন
ব্যাপার এ না।
কোরআন এ সকল
বিজ্ঞানের সমাধান
আছে যা আমরা জানি না।
আশা করি ভবিষ্যতে আরও
আকর্ষণীও পোষ্ট
নিয়ে আপনাদের
সামনে আসব।

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০১১

GP'S NEW ANDROID 2.1 HANDSET GP CRYSTAL

এন্ড্রয়েড ডিভাইস GP
Crystal বাংলাদেশের
বাজারে বাংলাদেশের
বৃহত্তম জিএসএম ভিত্তিক
মোবাইল ফোন
কোম্পানি গ্রামীনফোন।
১৯৯৭ সাল থেকে যাদের
কার্যক্রম শুরু
বাংলাদেশে। ১৯৯৬ এ
বাংলাদেশ ডাক ও
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
থেকে মোবাইল ফোন
অপারেটর
হিসেবে লাইসেন্স পাবার
পর টেলিনর এর এই
কোম্পানি জন সাধারনের
জন্য বিভিন্ন
প্যাকজে আকারে সার্ভিস
দিয়ে থাকে। আনুমানিক
মোট ২ কোটির মত
বর্তমানে এর গ্রাহক
রয়েছে।
উপরে গ্রামিনফোনের
সামারি জানলাম। এবার
আমরা মূল
টপিকে চলে আসি। গ্রামীন
ফোন সম্প্রতি গ্রামীন ফোন
ক্রিষ্টাল নামের
একটি এন্ড্রয়েড
সঙ্গশ্লিষ্ট মোবাইল
ডিভাইস বাজারে আনে।
এবছরের (২০১১) মে মাসের
২৪ তারিখে এটি বাজারে
আসে। জিপি ক্রিষ্টাল এর
ফিচার সমূহঃ চলুন
নিচে জেনে নিই এই
“গ্রামীন ফোন ক্রিষ্টাল”
এর ফিচার গুলো * Multi-
tasking Smartphone with
wide range of Multi-
media, Connectivity and
socialization options *
Android OS 2.1 * Fluid
and engaging UI *
Thousands of application
on Android Market *
Business Tools, Office
Documents Viewer &
Office E-mail Client * 3.2
mega-pixel Camera * FM
Radio, mp3/mp4 Player *
2GB Micro SD card
bundled with handset,
Expandable upto 16GB *
Embedded GP services
on GP- Menu * Preloaded
Application: Facebook,
Twitter, Opera Mini * Wi-
fi, Blueetooth, GPS, USB
connectivity * EDGE Class
10 & Modem Function *
Extensive warranty of 24
months for GP- tagged
customers এই
সেটটি আপাতত গ্রামীন
ফোন
সেন্টারে পাওয়া যাবে
বলে বলা হয়েছে তাদের
সেটরিলিজ পাতায় । তাই
এখন আপনি ৭০০০০ এর ও
বেশি এপ্লিকেশান উপভোগ
করতে পারবেন এন্ড্রয়েড
দুনিয়ায়। গ্রামীন ফোন
ক্রিষ্টালের মূল্যঃ জিপির
নিজদের কাষ্টোমাইজড এই
সেটের মূল্য নির্ধারন
করা হয়েছে ১২,১৬০
টাকা সারকথাঃ গ্রামীন
ফোন এর আগে তাদের
যে কউটি সেট
বাজারে আনে তার অনেক
গুলই মোটামুতি মানের।
আমার দেখা মতে ১০ এ ৪
পাবার মত। সেগুলো নিম্ন
আয়ের ইউজারদের কেন্দ্র
করেই, ব্লেক বেরি ছাড়া।
তবে এবারের
সেটটি হয়তো ১০ হাজারের
ভিতর দাম
রাখতে পারলে অনেকের
কাছেই পৌছাতে পারতো,
কারন
বাজারে যেখানে চাইনিজ
নিম্নমানের সেটের
ছড়াছড়ি, এবং মাত্র ১০০০
বা তার
বেশি টাকা দিয়ে সেট
পাওয়া যায়। তাই এখন
দেখার পালা এবারের সেট
ফিডব্যাক কেমন আসে।
আমরা সবাই পজিটিভ কিছুই
আশা করছি।

হারিয়ে যাওয়া ১৭টি মিশরীয় পিরামিড এবং কয়েক হাজার কবরের সন্ধান

কৃত্রিম উপগ্রহের
ইনফ্রারেড
প্রযুক্তি দ্বারা হারিয়ে যাওয়া ১৭টি পিরামিড
এবং কয়েক হাজার
কবর
খুঁজে পাওয়া গেছে মিশরে।
নাসার এবং কিছু
বানিজ্যিক
স্যাটেলাইট ব্যবহার
করা হয় এই
অনুসন্ধান কাজে।
মাটির
নিচে চাপা পড়া প্রায়
১,০০০ কবর
এবং ৩,০০০ এর মত
স্থাপনা
খুঁজে পাওয়া যায়।
অনুসন্ধানকারী দল
ইতোমধ্যে খনন
কাজের
মাধ্যমে দু’টি পিরামিডের
অবস্থান নিশ্চিত
করেছে। এই
প্রযেক্টের নেতৃত্ব
দিচ্ছেন
প্রত্নতাত্বিক
Sarah Parcak
যিনি অকল্পনীয় এই
সফলতা সম্পর্কে বিবিসিকে জানান,
“I couldn’t believe
we could locate
so many sites all
over Egypt. To
excavate a
pyramid is the
dream of every
archaeologist.”
উল্লেখ্য, এই
প্রজেক্টে আর্থিক
সহায়তা দিচ্ছে বিবিসি।
এই
প্রজেক্টে কি কি প্রযুক্তি ব্যবহার
করা হয়েছে এবং কি কি পাওয়া গেছে এ
সম্পর্কিত
একটি প্রতিবেদনও
প্রচারিত হয়
বিবিসিতে।

কাজে স্যাটেলাইটগুলো শক্তিশালী ক্যামেরা ব্যবহার
করে যা মাটির
নিচে থাকা তিন
ফুটেরও ছোট বস্তু
সনাক্ত করতে পারে।
এমনকি ভুমিতে থাকা মাটি বা ইটের
তৈরি বাড়িঘরগুলো এ
ক্ষেত্রে কোন
সমস্যা সৃস্টি করতে পারেনি।
খুঁজে পাওয়া এই
পিরামিডগুলোর
ভেতরে কি আছে সেটি জানতেই
এখন উদগ্রীব সবাই।
প্রাচীন মিশরীয়দের
সভ্যতা-
সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও
বিশদভাবে জানতে এগুলো ব্যপক
সহায়ক
হবে বলে আশা করছেন
সংস্লিস্টরা।